শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি :-
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মাইক্রোবাসচালকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে ছয় সাংবাদিকসহ অন্তত ১৮ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে । আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনকে গুরুতর অবস্থায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
এদিকে ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী দুই পক্ষের নেতাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকের পর উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ালে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিরা হলেন আমজাদ হোসেন বাচ্চু (৪৯), ইসমাইল মাহমুদ (৫৭), এহসানুল হক (৩৪), উজ্জ্বল কুমার দাশ (৪৪), নূর মোহাম্মদ সাগর (৩৩), মো. আলামিন (৩০), রাব্বি (২২), আউয়ুব আলী (৪০), বিশাল (২২), সওকত (৪৪), রাকিব (১৯), বিল্লাল মিয়া (৩২), চয়ন মিয়া (৩৮) ও আমির মিয়া (২৪)। অন্যদের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
গুরুতর আহত ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশ প্রতিকৃষণ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক আমজাদ হোসেন বাচ্চু, বিশাল, আউয়ুব আলী, রাব্বি ও সওকতকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এই ঘটনায় আহত সাংবাদিকেরা হলেন বাংলাদেশ প্রতিক্ষণ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক ও ভোরের ডাক পত্রিকার শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি আমজাদ হোসেন বাচ্চু, ইসমাইল মাহমুদ, এহসান বিন মুজাহিদ, এস কে দাশ সুমন, নূর মোহাম্মদ সাগর ও মো. আলামিন।
জানা গেছে, ঘটনার দিন সকালে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মাইক্রোবাসের মধ্যে রাস্তায় সামান্য ঘষা লাগে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে চালকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন জড়ো হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে শহরের কয়েকটি এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে কয়েকজন সাংবাদিকও হামলার শিকার হন।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সিনথিয়া তাসমিন বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে ১৬ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগের মাথা ও শরীরে আঘাত ছিল।’
শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল ইসলাম মুন্না বলেন, পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।