নিজস্ব প্রতিবেদক :-
শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নের উত্তরসুর এলাকায় পারিবারিক ভাবে আয়োজিত “হরিনাম যজ্ঞ “অনুষ্ঠানের লাউড স্পিকারে কীর্তনের আওয়াজ অতি উচ্চ হওয়ায় তা কমানোর অনুরোধ করলে অনুষ্ঠান পরিচালনা কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল ভুমিকা, সৌহার্দপূর্ণ আচরণ, কোনো প্রকার ভেদাভেদ সৃষ্টি না করে সাথে সাথে মানুষের নিরাপদ ঘুমে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি না হওয়ার জন্য তৎক্ষনাৎ সাউন্ড সিস্টেমের আওয়াজ কমিয়ে দেওয়ায় এই নবাগত একজন ক্ষুদে সাংবাদিকের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ।
উদীয়মান এ ক্ষুদে সাংবাদিক তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় উত্তর সুর এলাকায়
ভট্টাচার্য্য ভবন কর্তৃক বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণের হেতু অষ্টপ্রহর ব্যাপী হরিনাম যজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অষ্টপ্রহর অর্থাৎ সারাদিন-সারারাত। অনুষ্ঠানের কীর্তনের আওয়াজ দিনের বেলা শ্রবণ সীমার সাথে ভালো সামঞ্জস্যপূর্ণ হলেও রাত ১২ টার পর যখন জনপদের ঘুমানোর সময় হয়, তখন চারিদিকে বেশ আওয়াজ না থাকায় কীর্তনের লাউড স্পিকার মাইকের আওয়াজ অনেক উচ্চপর্যায়ে আছে বলে মনে হয়, সুরমা ভেলি এলাকার (ভটের মিলের পাশাপাশি অবস্থিত এলাকা) কিছু স্থায়ী বাসিন্দা দের জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলেন রাতে একটু বেশি আওয়াজ হওয়ায় তাদের বিশ্রাম ও ঘুমানোর সময়ে মারাত্মকভাবে ব্যাঘাত ঘটে। এ বিষয়ে
ভট্টাচার্য্য ভবনে সরাসরি হলি সিলেট পত্রিকার শিক্ষানবিশ রিপোর্টার গত ২৪ মার্চ ৩য় প্রহর রাত ১:৪৫ সময়ে যান। ভট্টাচার্য্য ভবনের বড় ছেলেকে অনুষ্ঠানের উচ্চ আওয়াজ সম্পর্কে অবগত করা হলে উত্তরে বলেন,”উচ্চ আওয়াজ সম্পর্কে তিনি মূলত অবগত নন, আওয়াজ কমাবেন বলে আন্তরিক ভাবে আশ্বাস প্রদান করেন এই রিপোর্টারকে । পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষ অতি দ্রুত সাউন্ড কমানোর ব্যবস্থা সহ উপস্থিত সবাইকে অন্য মানুষের ঘুমে বিঘ্ন সৃষ্টি না করার নির্দেশনা প্রদান করেন। কথার সাথে কাজের মিল রাখেন অনুষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।
এতে হিন্দু -মুসলিম মতের সামঞ্জস্য, ও সামাজিকতা আরো সমৃদ্ধ হয় । অনুষ্ঠানের কারণ হিসেবে তিনি জানান, ভটের মিল’ বা ‘ভট্টাচার্য্যের মিল’ একটি সুপ্রাচীন নাম। অনেকে এই শব্দটি কেনো দেওয়া হয়েছিলো সেই ব্যপারে উৎসুক। ‘কামদা রঞ্জন ভট্টাচার্য্য’ এই কাশিপুর নামক স্থানে একটি রাইছ মিল প্রতিষ্ঠা করেন। রাইছ মিল প্রতিষ্ঠার আজ প্রায় পঞ্চাশোর্ধ বছর পূর্ণ হতে চলেছে। তবুও, মানুষের ভালোবাসা আজও এই নামটি ধরে রেখেছে।এই বছরপূর্তি এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে যজ্ঞ অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়।”
প্রতিবেদকের সাথে সকলের সৌহার্দপূর্ণ সুন্দর সম্পর্ক বাড়বে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
মানুষের নিরাপদ ঘুমে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি না হওয়ার জন্য তৎক্ষনাৎ সাউন্ড সিস্টেমের আওয়াজ কমিয়ে দেওয়ায় এই নবাগত একজন ক্ষুদে সাংবাদিকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ।