ছাতকে দু’গ্রামবাসীর সংঘর্ষে
আহত ৮০ জন
ছাতক প্রতিনিধিঃঃ
ছাতকের সিংচাপইড় ইউনিয়নে কালিপুর ও খাসগাও গ্রামের দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৮০ জন লোক আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়,গত বুধবার সন্ধ্যায় খাসগাঁও বাজারে কালিপুর গ্রামের মছকদ আলীর পুত্র আবুর মিয়া (৩৫) এর দোকান ঘর ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে খাস গাঁও গ্রামের হুসিয়ার আলীর পুত্র কামরুল ইসলাম (৩২) এর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
এর কিছুক্ষণ পর সংগীতা ভেরাইটি ষ্টোরের মালিক কালিপুর গ্রামের গোপাল চন্দ্র পাল ও কামরুলের ভাই জাকারিয়ার কাছে দোকানের বাকি টাকা চাইলে এখানে ও তর্ক-বিতর্ক হয়। খবর প্যেয়ে কামরুল ঘটনাস্থলে এসে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে তার হাতে থাকা চায়ের কাপের চা গোপাল চন্দ্র পালের উপর ফেলে দিলে এ সময় সালিশে থাকা ইউপি সদস্য আজিজুর রহমান শান্তর উপরে চায়ের কাপের চা পড়ে যায়। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হলেএর জের ধরে পরের দিন ১২/১২/২০২৪ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯ ঘটিকার সময় বাজার সংলগ্ন ব্রিজের উত্তর পাশে উভয় গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
প্রায় ঘণ্টা ব্যাপী সংঘর্ষে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র ও ইট-পাটকেল এর আঘাতে উভয় পক্ষের প্রায় ৮০ জন লোক আহত হয়েছে আহতদের মধ্যে উভয় পক্ষের ৩০ জন কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে জাউয়া বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে আহতদের কৈতক ২০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে উভয় পক্ষের লোক জনের মধ্যে আবার ও উত্তেজনা দেখা দিলে খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি টিম ওয়ারেন্ট অফিসার মঈন এর নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
সংঘর্ষে আহত সাব্বির আহমদ,সুমন মিয়া,আল আমিন, আব্দুর রহমান,কাবুল মিয়া,কামাল উদ্দিন,আকাশ মিয়া, আবদুল, আমিন উদ্দিন, ইসলাম উদ্দিন,আকিক মিয়া, শাহিন মিয়া, জয়নাল আবেদীন,কামরুল ইসলাম,আব্দুল কাইয়ুম, চান মিয়া, লায়েক মিয়া,কামরান মিয়াকে সিলেট
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের কৈতক ২০ শয্যা হাসপাতালের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
জাউয়া বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মোঃ আব্দুল কবির জানান,পুলিশ সংঘর্ষ থামিয়েছে, এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং এ পর্যন্ত কোনো পক্ষই মামলা দায়ের করেননি।##