সংবাদ শিরোনাম :
গোলাপগঞ্জে শিরিন মেমোরিয়াল ট্রাস্টের ৪র্থ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন এপেক্স ক্লাব অব গ্রীন হিলস’র বার্ষিক সাধারণ সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত স্টুডেন্ট মেধাবৃত্তি পরিদর্শনে ইশতিয়াক সিদ্দিকী: মেধা অন্বেষণে এ ধরনের প্রতিযোগিতা প্রশংসনীয় সিলেট নগরীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ: পরিকল্পিতভাবে দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে উসকানি ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে-রিজভী যুক্তরাজ্যে গণদাবি পরিষদের কার্যকরী পরিষদের পরিচিতি ও ক্যাম্পেইন মিটিং অনুষ্ঠিত হয় ওসমানীতে রোগীর স্বজনদের বেধড়ক পেটানোর ছবি তুলায় দুই সাংবাদিককে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সিলেট বিভাগীয় অনলাইন প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটিকে সিলেট মহানগর বিএনপির অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা ইমারত নির্মাণ বিধিমালা মানতে সিউকের পরিদর্শন সিলেটে পূজামণ্ডপ গান গেয়ে ক্লোজড হলেন এএসআই
পুলিশ সুপারের প্রচেষ্টায় সমাজপতিদের বাধা ভেঙে ঘরে ফিরেছে নবদম্পতি

পুলিশ সুপারের প্রচেষ্টায় সমাজপতিদের বাধা ভেঙে ঘরে ফিরেছে নবদম্পতি

প্রতিবেদন,এম.মুসলিম চৌধুরী:

মৌলভীবাজার গ্রাম্য মুরব্বীদের বাধায় ঘর ছাড়া নবদম্পতি জেলা পুলিশের প্রচেষ্টায় ঘরে ফিরেছে। বিয়ে করেও গ্রামের মুরব্বীদের বাধায় বাড়ি ফিরতে না পেরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিকার ছেয়ে সহযোগিতা চায় নবদম্পতি। এছাড়াও ওই নবদম্পতি জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়ার সাথে দেখা করে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে বিষয়টি নিম্পত্তি করে পুলিশের একটি টিম গতকাল বুধবার বিকেলে ওই নবদম্পতিকে তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেয়। ফিরে নবদম্পতি পলি আক্তার ও ইমন মিয়া বলেন, সমাজপতিদের ভয়ে আমরা আত্মগোপনে ছিলাম। আমরা বাড়ি ফিরেছি। সমাজ আমাদেরকে মেনে নিয়েছে। আমি পুলিশ প্রশাসন ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আপার কাগাবলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইমন মোস্তফা বলেন, নবদম্পতি তাদের বাড়ি ফিরেছেন। গ্রামের সব পক্ষকে নিয়ে মডেল থানায় বসে বিষয়টি সমাধান করা হয়। সেখানে সবাই একমত হয়েছে, তাদের সংসারে কেউ বাধা দেবেন না। মৌলভীবাজারে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, সমাজের সবাই তাদের মেনে নিয়েছেন। বিষয়টির একটি সুন্দর সমাধান হয়েছে। উল্লেখ্য, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আপার কাগাবালা ইউনিয়নের উত্তর কাগাবলা গ্রামের ইমন মিয়ার সাথে গত ১৯ মার্চ সাতবাক গ্রামের পলি আক্তারের বিয়ে হয়। ধর্মীয় বিধান মেনে চার লাখ টাকা কাবিন নির্ধারণ করে নিকাহনামা রেজিস্টারের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের কথা এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর বাধা হয়ে দাঁড়ান স্থানীয় মুরব্বিরা। তাদের দাবি, প্রথা অনুযায়ী মৎস্যজীবী পরিবারের সঙ্গে বাইরের কারো বিয়ে হয় না। গত ২৫ মার্চ পলি আক্তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে পোস্ট করলে বিষয়টি জানাযানি হয়। পরে দম্পতি জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে বিষয়টি সুন্দর নিস্পত্তি হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন :





© All rights reserved © 2021 Holysylhet