সংবাদ শিরোনাম :
সিলেটের বিভিন্ন সীমান্তের চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্যের ২য় পর্বে জৈন্তাপুর উপজেলা বড়লেখায় পুলিশের অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সচেতন নাগরিক ফোরামের মানববন্ধন পরিবেশ অধিদপ্তরের অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহবান চা কন্যার অজানা তথ্য নিয়ে আল ইকরাম নয়নের ভিডিও কন্টেন্ট সবজি ক্ষেতের জ্বালে আটকে পড়া দাঁড়াশ সাপ উদ্ধার দক্ষিণ সুরমা থেকে ডিবি পুলিশের অভিযানে ০৩ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ি গ্রেফতার দক্ষিণ সুরমা থেকে ডিবি পুলিশের অভিযানে ০৩ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ি গ্রেফতার ডিবির অভিযানে খালিঘাট বস্তাপট্টি শরিফ ও জামালের  জুয়ার আস্তানা থেকে  খেলার সামগ্রী সহ ৩ জুয়ারী গ্রেফতার! ঈদ ও নববর্ষের টানা ছুটিতে চায়ের রাজ্যে ঢল নেমেছে পর্যটকের অবশেষে দক্ষিণ সুরমার শীর্ষ জুয়ারী কাশেমসহ পুলিশের হাতে আটক-৬, এখনো বহাল নজরুল-জামাল-অন্তরের জুয়ার প্রতারণা,
স্ত্রীর টাকা আত্মসাৎ করতে ভাড়াটিয়া ভন্ড কবিারজকে দিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করলেন স্বামী, প্রতিকার চেয়ে পুলিশ কমিশনার বরাবরে অভিযোগ

স্ত্রীর টাকা আত্মসাৎ করতে ভাড়াটিয়া ভন্ড কবিারজকে দিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করলেন স্বামী, প্রতিকার চেয়ে পুলিশ কমিশনার বরাবরে অভিযোগ

 

এ এ রানা:::
সিলেট কোতোয়োলী মডেল থানায় স্ত্রীর টাকা আত্মসাৎ করতে ও নিজের অপকর্ম চালিয়ে যেতে ভাড়াটিয়া ভন্ড কবিরাজ আব্দুল খালিককের বাহিনী দিয়ে স্ত্রীর ভাইকে সন্ত্রাস্ত্রী হামলায় রক্তাক্ত করে উল্টো মামলা রেকর্ড করালেন আখলাকুর রহমান জুনেদ। গত শনিবার (৮ এপ্রিল) ঘটনাটি নগরীর শেখঘাট এলাকায় ঘটে। এব্যাপারে জুনেদের স্ত্রী মাজেদা বেগম বাদি হয়ে ভন্ড কবিার আব্দুল খালিকের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী জাবেদ আহমদ সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪জনকে আসামী করে কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। প্রথমে ঘটনাটি বুঝতে পারেননি মাজেদা বেগম। তার স্বামী আখলাকুর রহমান জুনেদ পরিকল্পিতভাবে ভন্ড কবিরাজ আব্দুল খালিককে দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করার জন্য মাদক ব্যবসায়ী সাজিয়ে মাজেদা ও ভাই ছেলে সহ তাদের আসামী করা হয়। স্বামীর প্ররোচনায় নিজ ভাড়াটিয়াকে দিয়ে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মামলা করায় প্রতিকার চেয়ে সিলেট এসএমপি পুলিশ কমিশনার বরাবরে গতকাল সোমবার (১৭ এপ্রিল) অভিযোগ দাখিল করেন মাজেদা বেগম।

অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, শেখঘাট এলাকার আখলাকুর রহমান জুনেদ একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। সে মাজেদা বেগমকে প্রথম স্বামীর ঘর হইতে এক ছেলে সন্তান সহ জোরপূর্বক এনে ২৮/০৪/১৯৯২ সালে বিবাহ করেন। বর্তমানে মাজেদা বেগস জুনেদ দম্পতির তিনটি ছেলে সন্তান রয়েছে। প্রথম সন্তান মাহফুজুর রহমান রাসেল (২৩), হবিগঞ্জে জেলা পুলিশে কর্মরত। ২য় ছেলে আফারোজ (১৮) ও ৩য় ছেলে মুহিবুর রহমান সাহেল (৫)। বিবাহের পর থেকে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছে স্বামী আখলাকুর রহমান জুনেদ। পশ্চিম শেখঘাট, উত্তরণ-২৬ নং বাসায় মাজেদার বসবাস করে আসছে। কিন্তু আব্দুল খালিক নামক এক ভন্ড কবিরাজ তার সহযোগী বাসিত নামক দ্জুন ভÐ ও পুলিশের তালিকাভূক্ত মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারী শফিক সহ এই বাসাতে একটি অপরাধের আস্থানা ঘরে তুলে এবং মাজেদা ও তিন সন্তানকে ভাড়াটিয়া বাসায় সড়িয়ে দেয় জুনেদের অপকর্ম চালানোর জন্য। আব্দুল খালিক ভন্ড কবিরাজ তার কাছে আসা যুবতী মেয়েদের রোগ সাড়ার কথা বলে বাসায় এনে অনৈতিক কর্মকান্ড চালায়। তার মূল নায়ক আখলাকুর রহমান জুনেদ।

মাজেদা বেগম অভিযোগে আরো উল্লেখ করেন, তাকে দিয়ে আশা নামক একটি সংস্থা থেকে ৪ লক্ষ টাকা ও ব্রাক ব্যাংক থেকে ৩ লক্ষ টাকা ও গ্রামীন ব্যাংক থেকে ৪ লক্ষ টাকা এবং বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে আরো অনুমানিক ৪ লক্ষ মোট ১৫ লক্ষ টাকা বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে জুনেদ। কিন্তু টাকা পরিশোধের কথা বললে মাজেদা ও তার ভাইদেরকে মারধর করে এমনকি ছেলেদেরকে মারধর করে। জুনেদের ভয়ে আতংকিত ও জিম্মি অবস্থায় রয়েছে মাজেদার পরিবার। নিজের বাসা রেখে ছেলে সন্তানদেরকে নিয়ে ভাড়া থাকতে হচ্ছে মাজেদার পরিবার। এরপর জুনেদের ভাড়াটিয়া ভূয়া কবিরাজ খালিক ও তার দুই ছেলে ও বাসিতকে দিয়ে মাজেদার ভাই বাবুলের গাড়ি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে এতে মাজেদার ভাই বাবুল মিয়া বাধা দিলে গত ০৮/০৪/২০২৩ তারিখে বেলা ২ ঘটিকায় সময় বাবুলকে বেধরক মারধর করে তার হাত ভেঙ্গে ফেলে বাবুলকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এব্যপারে মাজেদা বাদি হয়ে কোতোয়ালী থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করলে তদন্তের সত্যতা পেয়ে মামলাটি রেকর্ড করা হয়। মামলা নং-৩১৫৯/৫, তারিখ: ১১/০৪/২০২৩ইং।

প্রতারক আব্দুল খালিক তার ভাইকে নিয়ে চিকিৎসারত থাকা অবস্থায় মাজেদার স্বামী শ্যালকের পক্ষ না নিয়ে নিজ ভাড়াটিয়া ভন্ড কবিরাজ খালিককে দিয়ে মাজেদা সহ তার ভাইয়ের বিরোদ্ধে মিথ্যা মামলা থানা রেকর্ড করায়। এবং পরের দিন সিলেটের বিভিন্ন স্থানীয় অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় মাজেদা ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী সাজিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে। সেই মামলায় এজাহারে মাজেদার ৩১ বছর আগে ছেড়ে আসা স্বামী মনু মিয়া নাম দেওয়া হয়। এছাড়া মাজেদা রেখে জুনেদ আহমদ আরেকটি বিবাহ করে উপশহর এলাকায় বসবাস করেন। সে নিজেকে বিভিন্ন সংস্থার সোর্স পরিচয় দিয়ে এলাকায় ঘুরে বেড়ায় এবং যে কাউকে ধরে নেওয়া হুমকি-দামকি প্রদান করে। মাজেদারে পুলিশে কর্মরত ছেলে ও ভাইয়েরা মিলে মাসিক হারে চাঁদা না দিলে মাজেদাকে মিথ্যা মামলা ও হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে প্রতিনয়ত। তার ভয়ে মাজেদাকে সাহায্য করতে কেউ আসেনা। বর্তমানে তারা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। তারা কবিরাজির নামে শত শত নারীকে অনৈতিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করে। খালিক তার ছেলে জাবেদকে দিয়ে প্রেম নিবেদনের করে মেয়েদেরকে এনে তার পিতা খালিক ও জুনেদের হাতে তুলে দেয়। প্রকাশে ইয়াবা সরবরাহ করে। জুনেদ নিজের স্ত্রী ও তিনটি সন্তানকে অন্যত্র ভাড়াটি রেখে নিজের বাসায় অপরাধের আস্থনা গড়ে তুলেছে এবং নিজের পরিবারকে জিম্মি করার জন্য ভাড়াটিয়া ভন্ড কবিরাজকে দিয়ে পরিচয় গোপন করে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর করতে থাকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :





© All rights reserved © 2021 Holysylhet