সিলেট থেকে বিশেষ প্রতিনিধি: সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার ১১ নং লাউতা ইউনিয়নে পাড়িয়াবহর মৌজার পারিবারিক রাস্তায় সরকারি বরাদ্ধে উন্নয়ন কাজ বন্ধ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বরাদ্ধ না দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন ভূসম্পত্তির মালিক সাদিক হোসেন এপলু। গত মঙ্গলবার (৬ মে ২০২৫ইং)তিনি জেলা প্রশাসক সিলেটের বরাবরে একটি লিখিত আবেদন দাখিল করেন। যার ডকেট নং- ১১১।
আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের পারিবারিক নামে থাকা উত্তর পাড়িয়াবহর গ্রামের পারিবারিক নিজ ভূমিতে নির্মিত একটি পাঞ্জেগানা মসজিদ এবং কবরস্থানের যাতায়াতের জন্য একটি সরু রাস্তা রয়েছে, যা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক।
আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, কিছু স্থানীয় ব্যক্তি নিজস্ব চলাচলের পথ থাকা সত্ত্বেও অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়ে ব্যক্তিগত এই রাস্তাটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। এ উদ্দেশ্যে তারা সরকারি প্রকল্পের নামে এই রাস্তায় উন্নয়ন কাজ শুরু করেছে। সাদিক হোসেন এপলুর আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারি কমিশনার মো. পারভেজ স্বাক্ষরিত (স্মারক নং ০৫.৪৬.৯১০০.০০৯.৯৯.০০৭.২৩.৯৬৪, তাং- ২৭/০৬/২০২৪ইং) এবং তদন্ত সাপেক্ষে নিজ মালিকানাধীন জমি থাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামীম স্বাক্ষরিত (স্মারক নং ০৫.৪৬.৯১১৭.০০০.৯৯.০১৯.১৯.৬৭৯, তাং- ১১.০৬.২০২৪ইং) প্রকল্প বন্ধের আদেশ দেওয়া হয়। গত ১২ মে প্রকেল্পর ঠিকাদার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রের এর আদেশ অমান্য কাজটি পূনরায় শুরু করলে বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে একদল পুলিশ সরেজমিনে গিয়ে সত্যতা পেয়ে কাজটি বন্ধ করে দেন। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও প্রভাবশালীরা বরাদ্ধের অর্থ উত্তোলন করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আবেদনে তিনি আরো উল্লেখ করেন, বর্তমানে পুনরায় রাস্তার অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য তৎপরতা চলছে এবং এতে পারিবারিক কবরস্থানের পবিত্রতা এবং পার্শ্ববর্তী বাগানবাড়ির নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে। তিনি এস.এ. ও বি.এস. ম্যাপ অনুযায়ী রাস্তাটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত জমিতে অবস্থিত বলে দাবি করেন এবং সরকারি জমির কোনো অংশ এতে নেই বলে উল্লেখ করেন।
তিনি জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করে সরকারি বরাদ্ধ বাতিল এবং যেকোনো অপতৎপরতা রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন।