সংবাদ শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গলে লোকালয় থেকে আবারও বিশাল আকৃতির অজগর উদ্ধার শ্রীমঙ্গলে জ্ঞানমুদ্রা বেদ ও গীতা পরিবার এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সংবর্ধনা শ্রীমঙ্গলে এক দিনে ৩টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার শ্রীমঙ্গলে ঠাকুর ঘর থেকে পাতি বেত আঁচড়া সাপ উদ্ধার বন্যার্তদের মাঝে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের খাবার বিতরণ মৌলভীবাজারে বন্যার পানিতে ডুবে কিশোর ও শিশুর মৃত্যু শ্রীমঙ্গলে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও নবীন বরণ অনুষ্টান মৌলভীবাজারের পাহাড়ী ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতে ৩৩২ গ্রাম প্লাবিত ছাতকে বন্যার পানিতে থৈ-থৈ করছে উপজেলার সর্বত্র, ঘর-বাড়ি রাস্তা-ঘাট সহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত,পানি বন্দী হাজার হাজার মানুষ ৩ দিনব্যাপী মার্শাল আর্ট সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ
কুলাউড়ায় নববধুকে হত্যার অভিযোগে স্বামী ও ভাবী আটক

কুলাউড়ায় নববধুকে হত্যার অভিযোগে স্বামী ও ভাবী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক:
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় সেবিনা আক্তার রুলি (১৯) নামের এক নববধুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শুক্রবার গৃহবধূ হত্যার ঘটনায় স্বামী কামরুল ইসলাম ও তার ভাবি আছমা বেগমকে আটক করেছে পুলিশ।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) তাকে হত্যা করে রুলীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে মর্মে পিতার বাড়িতে ফোন করা হয়। পিতার বাড়ীর সদস্যরা এসে রুলীর সমস্ত শরীতে আঘাতের চিহ্ন দেখে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানায় । শুক্রবার পুলিশ লাশ উদ্বার করে পোষ্ট মর্টেম করে এবং থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে।
নিহত গৃহবধু সেবিনা আক্তার রুলীর পিতার বাড়ির লোকজন অভিযোগ করে বলেন, গত ৮ মাস পূর্বে রুলীকে কুলাউড়া পৌর এলাকার মৃত ছত্তার আলীর পুত্র কামরুল ইসলাম (২৭) এর সাথে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের সময় স্বামীর চাওয়া উপহারের সব দাবী পরিশোধ করা হয়। বিশেষ করে ২ লক্ষ টাকা দিয়ে ফার্নিচার ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ফ্রিজসহ বিয়ের অনুষ্টান বাবৎ ৬/৭ লক্ষ টাকা খরচ করা হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই স্বামীর বাড়ীর লোকজ তার উপর অত্যাচার শুরু করে। ছোটখাটো অজুহাতে রুলীর উপর নির্যাতন হতো । যৌতুকও চাওয়া হয়। রুলীর ভাইবোন স্বামীর বাড়ীতে বোনকে দেখতে আসলে তাদেরকেও ভয়ভীতি দেখানো হতো যাতে তারা আর না আসে। এভাবে কিছুদিন চলার পর রুলীর স্বামী কামরুল জড়িয়ে পড়ে পরকীয়ায়। এতে সে স্বামীকে বাধা দিলে নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়তে থাকে। গত ১ মাস পূর্বে এ নিয়ে স্বামীর বাড়ীতে বসে সালিশ বৈঠক। বৈঠকে জনপ্রতিনিধি, সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে দু’পক্ষের মধ্যে আপোষ মীমাংসা করে দেন। মীমাংসা হওয়ার কিছুদিন পর রুলী তার চাচাতো ভাইয়ের বিয়েতে পিতার বাড়ীতে আসে। কয়েকদিন পিতার বাড়ীতে থাকার পর স্বামীর বাড়ীতে রুলীকে নিয়ে যান তার চাচা রেনু মিয়া।
নিহত রুলীর মা ফাতেমা বেগম জানান, ‘তিনি ৪সন্তানকে অনেক কষ্ট করে ভরন পোষন করেছেন। রুলীর পিতা মারা যাওয়ার পর তিনি প্রবাসে কষ্ট করে টাকা উপার্জন করে তাকে এসএসসি পাশ করিয়েছেন এবং বিয়ে বাবৎ ৬/৭ লক্ষ টাকা খরচ করেছেন। মেয়ের সুখের আশায় ঋৃন করে এ টাকা খরচ করে বিয়ে দিয়ে তরতাজা মেয়েকে পাষন্ড স্বামী, স্বামীর ভাবি আছমা বেগমসহ স্বামীর বাড়ীর অন্যান্য লোকজন আমার মেয়েকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। আমি হত্যাকারীদের দৃষ্ঠান্তমুলক বিচার চাই।’
কুলাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) কৈশন্য জানান, নিহত গৃহবধুর পরিবারের অভিযোগে কুলাউড়া থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং ওই মামলায় স্বামী ও স্বামীর ভাবীকে আটক করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :





© All rights reserved © 2021 Holysylhet