সংবাদ শিরোনাম :
চা কন্যার অজানা তথ্য নিয়ে আল ইকরাম নয়নের ভিডিও কন্টেন্ট সবজি ক্ষেতের জ্বালে আটকে পড়া দাঁড়াশ সাপ উদ্ধার দক্ষিণ সুরমা থেকে ডিবি পুলিশের অভিযানে ০৩ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ি গ্রেফতার দক্ষিণ সুরমা থেকে ডিবি পুলিশের অভিযানে ০৩ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ি গ্রেফতার ডিবির অভিযানে খালিঘাট বস্তাপট্টি শরিফ ও জামালের  জুয়ার আস্তানা থেকে  খেলার সামগ্রী সহ ৩ জুয়ারী গ্রেফতার! ঈদ ও নববর্ষের টানা ছুটিতে চায়ের রাজ্যে ঢল নেমেছে পর্যটকের অবশেষে দক্ষিণ সুরমার শীর্ষ জুয়ারী কাশেমসহ পুলিশের হাতে আটক-৬, এখনো বহাল নজরুল-জামাল-অন্তরের জুয়ার প্রতারণা, সিলেটে মোটরসাইকেলে বেড়াতে বেরিয়ে ৩ বন্ধুই না ফেরার দেশে জাফলংয়ে নারী পর্যটকদের যৌন হয়রানি: এক তরুণের দুই বছরের কারাদণ্ড হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে গরুর ঘাস খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৩৫
পুলিশ কমিশনার এর কাছে তদন্ত কর্মকর্তার বিরোদ্ধে সাংবাদিক খালেদ উসমানীর অভিযোগ

পুলিশ কমিশনার এর কাছে তদন্ত কর্মকর্তার বিরোদ্ধে সাংবাদিক খালেদ উসমানীর অভিযোগ

 

এ এ রানা::
সিলেটে পুলিশ কমিশনার এর কাছে বাহা উদ্দিন চৌধুরী কর্তৃক দায়ের করা সাজানো মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বিরোদ্ধে সাংবাদিক খালেদ উসমানীর অভিযোগ দায়ের।

অভিযোগ সুত্রে জানাযায় জাতীয় দৈনিক ভোরের আকাশ পত্রিকার সিলেট বিভাগীয় ব্যুরো চীফ সাংবাদিক খালেদ আহমদ উসমানী। তিনি ২০২২ইং সালে বাহা উদ্দিন চৌধুরী নামে এক ব্যাক্তির বিরোদ্ধে তিনির পাওনা ৯ লক্ষ টাকা আদায়ে এনআই এ্যাক্টে একটি মামলা দায়ের করেন, যাহার নং শাহ্পরান (রহ:) থানা সি আর ১২২/২০২২ইংরেজি। মামলা দায়েরের পর বিবাদী বাহা উদ্দিন চৌধুরী সু-কৌশলে সাংবাদিক খালেদ উসমানীর বিরোদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন, যাহার নং কোতোয়ালি সি আর মামলা নং ৬০১/২০২২ইংরেজি। বিবাদী তাহার মামলায় উল্লেখ করেন ২০১৭ইং সালের এপ্রিলে ঢাকায় এয়ার এভিয়েশন এর এম ডি আদনান আহমদকে কানাডা পাঠানোর জন্য ৮ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা দেন। সেই আদনান আহমদই খালেদ আহমদ উসমানী । মাননীয় চীফ অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য সিলেট কোতোয়ালি থানায় প্রেরণ করেন। মামলাটির তদন্ত পরিচালনা করেন এস আই (নিরস্র) মো: শাহ আলম। কিন্তু মামলা তদন্ত কালীন সময়ে তদন্ত কর্মকর্তা কখনও খালেদ উসমানীকে ডাকেননি বা তিনির কোন ববক্তব্য গ্রহন করেননি। শুধু মাত্র বাদীর বক্তব্য এবং বাদীর সাজানো স্বাক্ষীগণের স্বাক্ষীর ভিত্তিতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। উক্ত মামলা বা তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে সাংবাদিক খালেদ উসমানী অবগত ছিলেননা। এমনকি মামলার কোন সমনও তাহারর কাছে যায়ননি। যার পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ জুলাই রাতে আদালতের পরোয়ানার ভিত্ততে শাহ্পরান (রহ:) থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। দীর্ঘ প্রায় এক মাস কারাভোগের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। যার ফলে তিনি সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানষিকভাবে মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানান। বাহা উদ্দিন চৌধুরী কর্তৃক দায়ের করা সাজানো মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের কিছু অসংলগ্ন বিষয় তিনি তাহার অভিযোগে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন
মামলায় বাহা উদ্দিন চৌধুরী উল্লেখ করেছেন কানাডা যাওয়ার জন্য আদনান আহমদকে ৮লক্ষ ৮০হাজার টাকা দিয়েছেন। কিন্তু তিনি আদনান আহমদ নন। এমনকি আদনান আহমদ এর সাথে বিদেশ গমনের লক্ষ্যে টাকা লেনদেনের কোন ডকুমেন্ট মামলায় সংযুক্তি করে আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় খালেদ উসমানীই সেই আদনান আহমদ ঢাকার হাতিরপুলে অবস্থিত ঢাকা এয়ার এভিয়েশন এর এম.ডি এবং ২০১৭ইংরেজি সালের এপ্রিল মাসে বাহা উদ্দিন চৌধুরীর সাথে ঢাকায় পরিচয় হয় এবং আদনান আহমদ এর ব্যবসা প্রতিষ্টানে গিয়ে টাকা দেন। অথচ ২০১৭ ইং সালের মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসের ফেসবুক প্রোফাইল পরিদর্শন করলে দেখা যাবে উক্ত সময়ে খালেদ উসমানী সিলেটে অসংখ্য রাজনৈতিক,সামাজিক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহন করেন, এবং তিনি ঐ সময় সিলেটে অবস্থান করেন। এই সকল অনুষ্টানের ছবি খালেদ আহমদ উসমানী নামীয় ফেসবুক একাউন্টে পোষ্ট করেন। তদন্ত প্রতিবেদন থেকে স্পষ্ট বুঝাযায় তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তকালীন সময়ে মামলায় উল্লেখিত ট্রাভেল এজেন্সি পরিদর্শন করেননি।
উক্ত বিষয়াদি থেকে প্রমানিত হয় যে, তদন্ত কর্মকর্তা বাদীর দারা প্রভাবিত হয়ে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে তদন্ত কর্মকর্তার বিরোদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কমিশনারকে অনুরোধ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :





© All rights reserved © 2021 Holysylhet